Goodman Travels

এখনো গ্রেপ্তার হয়নি প্রকাশ্যে গুলি করা বহিস্কৃত যুবলীগ নেতা শাহীন

শরিফুল ইসলামঃ-গত ০৬ সেপ্টেম্বর (রবিবার) পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলাধীন রানীনগরে ভেশালজাল/ খড়া কে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল ওয়াহাব গ্রুপের অনুসারী শাহাদাত মাষ্টার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুজ্জামান শাহীন গ্রুপের অনুসারী খাইরুল মাষ্টার গ্রুপের মাঝে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে শাহাদাত মাষ্টারের ছেলে ও রানীনগর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবু শাহীন প্রকাশ্যে তার পুতার লাইসেন্সকৃত ও অবৈধ বন্দুক দিয়ে গুলিবর্ষন করে। এতে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়। এ ঘটনায় ঐদিন ০৫ জন কে আটক করে আমিনপুর থানা পুলিশ।

ঘটনার ২ দিন পর ০৮ সেপ্টেম্বর আবু শাহীন কে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ থেকে বহিস্কার করা হলেও এখনো আইনি ধরা- ছোয়ার বাইরে রয়েছেন তিনি।তাকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

এদিকে সরেজমিন পরিদর্শন শেষে প্রতিবেদক জানান, বহিস্কৃত যুবলীগ সভাপতি শাহীন এর নামে এটাই নতুন অভিযোগ নয়। এলাকাবাসীর দাবী দলীয় প্রভাব খাঁটিয়ে তিনি এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে।
নিজের ও গ্রুপের প্রভাব খাঁটিয়ে তিনি স্থানীয় জোলার মধ্যে ২ টি বাধ দিয়ে মাছ চাষ করলেও তার ভয়ে সবাই নিশ্চুপ। তার নামে এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয় প্রদান ও মদদ দেওয়া, চাঁদাবাজি, জমি দখলসহ নানাবিধ অভিযোগ পাওয়া যায়। তার বাবার লাইসেন্সকৃত বন্দুকের ভয়ে এলাকাবাসী নিরবে সহ্য করে তাদের এই নির্যাতন।

পাবনা জেলা আওয়ামী যুবলীগ তাকে দল থেকে বহিস্কার করার পরে অনেকেই মনে করেছিল এবার হয়তো শেষ হবে তার ক্ষমতার অপব্যবহার। কিন্তু, দল থেকে বহিস্কার হওয়ার হওয়ার পরেও আইনি ধরা- ছোয়ার বাইরে থাকায় আতঙ্কৃত জনসাধারণ।

এ বিষয়ে আমিনপুর থানার পরিদর্শক মোজাম্মেল হক বলেন, আসামী আবু শাহীন পলাতক আছে। আমরা তার সঠিক লোকেশন নিশ্চিত হতে পারছি না তবে আমরা তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে আমরা সক্ষম হবো।