ড্রাগন ফলের যত পুষ্টিগুণ

জেনে রাখা ভালো

ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ

ড্রাগন ফলের মধ্যে বিদ্যমান পুষ্টির ভান্ডারের জন্য ফলটি সুপারফুড হিসেবেও পরিচিত। ক্যাকটাস গোত্রের এ ড্রাগন ফল বাংলাদেশেও এখন প্রচুর পাওয়া যাচ্ছে। ড্রাগন ফলের তিনটি প্রজাতি রয়েছে লাল ড্রাগন ফল বা পিটাইয়া, কোস্টারিকা ড্রাগন ফল এবং হলুদ ড্রাগন ফল।

লাল ড্রাগন ফলের খোসার রং লাল কিন্তু শাঁস সাদা। এ প্রজাতির ফলই বাংলাদেশে বেশি দেখা যায়। কোস্টারিকা ড্রাগন ফলের খোসা ও শাঁসের রং লাল। হলুদ ড্রাগন ফলের খোসা হলুদ রঙের কিন্তু শাঁসের রং সাদা।

ড্রাগন ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। প্রতিটি ফলে ক্যালরি এবং প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি, ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৯ থাকে। এই ফলে বিটা ক্যারোটিন ও

লাইকোপিনের মতো

অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের উপস্থিতি রয়েছে। এটিতে থাকা ফাইবার ও আয়রন আমাদের শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য ও রক্তশূন্যতা দূর করতেও অনেক কার্যকরী। রক্তের চাপ নিয়ন্ত্রণ করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
উপকারিতা:অপরিবর্তন পুরুষেরও পারে, তবে হওয়ার আন ২. বয়স: ব সঙ্গে ব্রেস্ট বাড়ে, পশ্চি ৫০ বছর ব বেশি বাড়ে কারণে আম পরই বেশি ৩. জিনগত জিনের অম্ল ৫ থেকে ১ ক্যান্সারের ৪. বংশগত কোনো নি মেয়ে ব্রেস্ট ক্যান্সারের ৫. পিরিয়ত এবং ৫০ তাদের এ

তাইওয়ানে ডায়াবেটিসের রোগীরা ভাতের পরিবর্তে এ ফল প্রধান খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে। ফলটিতে ফাইটো অ্যালবুমিন, এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা ক্যান্সারের কারণ ফ্রি রেডিক্যাল তৈরিতে বাধা দেয়। এ ফল খেলে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে। গবেষণায় জানা গেছে, এই ফল নিয়মিত খেলে ওজন কমে এবং শরীরের সৌন্দর্য বাড়ে। ক্রনিক আন্ত্রিক সমস্যার সমাধান করে। লিভারের জন্য খুবই উপযোগী। ড্রাগন ফলের মধ্যে প্রিবায়োটিক থাকার কারণে এটি অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্যকে উন্নত করতে পারে। আর নিয়মিত প্রিবায়োটিক গ্রহণ করলে সেটি পচনতন্ত্র ভালো রাখে। ভ্রমণকারীদের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যারা ভ্রমণের আগে এবং সময়কালে প্রিবায়োটিক সেবন করেছিলেন, তাদের কমসংখ্যক ডায়রিয়ার
অভিজ্ঞতা পেয়েছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *